Arthroscopic Surgery in bangladeshArthroscopic Surgery: আধুনিক হাড় ও জয়েন্ট সার্জারির নিরাপদ সমাধানArthroscopic Surgery in bangladesh

Arthroscopic Surgery হলো একটি মিনিমালি ইনভেসিভ (কম কেটে) সার্জারি পদ্ধতি, যা মূলত জয়েন্ট বা হাড়ের অভ্যন্তরীণ সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পদ্ধতিতে খুব ছোট ছেদ দিয়ে ক্যামেরা ও বিশেষ সরঞ্জাম দিয়ে সমস্যা সনাক্ত ও সমাধান করা হয়।


Arthroscopic Surgery কোন সমস্যা সমাধান করে?

এই সার্জারি সাধারণত নিচের ধরনের সমস্যায় করা হয়—

  • হাঁটু জয়েন্টের সমস্যা: মেনিস্কাস টিয়ার, লিগামেন্ট ইনজুরি (ACL/PCL), আর্থ্রাইটিস
  • কাঁধের সমস্যা: রোটেটর কফ টিয়ার, ফ্রোজেন কাঁধ
  • কোমর/হিপ জয়েন্টের সমস্যা: ল্যাব্রাম টেয়ার, ডিস্ক সম্পর্কিত ইনজুরি
  • স্পোর্টস ইনজুরি: খেলাধুলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জয়েন্ট ও লিগামেন্ট

Arthroscopic Surgery-এর সুবিধা

  1. ছোট কাট, দ্রুত আরোগ্য
    • অপারেশন ছোট হওয়ায় রিকভারি দ্রুত হয়।
    • হাসপাতালে থাকার সময় কম লাগে।
  2. কম ব্যথা ও ঝুঁকি
    • খোলাখুলি অপারেশনের তুলনায় ব্যথা কম।
    • ইনফেকশনের ঝুঁকি কম।
  3. সঠিক নিরীক্ষণ
    • ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি জয়েন্টের ভিতরের অবস্থা দেখা যায়।
    • ছোট সমস্যাও সহজে শনাক্ত করা যায়।
  4. নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা
    • শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত অংশে কাজ করা হয়।
    • চারপাশের পেশি ও হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

অপারেশনের প্রক্রিয়া

  1. রোগীর জয়েন্টে ছোট ছেদ (3–5mm) করা হয়।
  2. Arthroscope নামের ছোট ক্যামেরা প্রবেশ করানো হয়।
  3. স্ক্রিনে সরাসরি জয়েন্টের অভ্যন্তর দেখা যায়।
  4. ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কাটাকুটি বা সারাই করা হয়।
  5. প্রয়োজনে ক্ষতিসমূহ মেরামত করা হয়।

সারা প্রক্রিয়াটি সাধারণত লোকাল বা জেনারেল অ্যানেস্থেশিয়ার অধীনে করা হয় এবং 1–2 ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়।


রিকভারি ও ফলো-আপ

  • অস্ত্রোপচারের পর হালকা ব্যথা ও ফোলা থাকতে পারে।
  • ফিজিওথেরাপি ও স্ট্রেচিং করা হয় দ্রুত সুস্থতার জন্য।
  • প্রায় ২–৬ সপ্তাহের মধ্যে রোগী সাধারণ জীবনযাপন শুরু করতে পারে।

উপসংহার

Arthroscopic Surgery হলো আধুনিক অর্থোপেডিক চিকিৎসার একটি নিরাপদ, কার্যকর এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত পদ্ধতি। এটি মূলত হাড় ও জয়েন্টের জটিল সমস্যা দূর করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে খোলাখুলি সার্জারি প্রয়োজন হয় না।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সক্ষম হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা এড়ানো যায়।

Scroll to Top